Friday, 30 October, 2026 | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
Crime Press Bengal
এই মুহূর্তে
বেনারসের দশাশ্বমেধ ঘাটে উপচে পড়া ভিড়! গঙ্গার বুকে লঞ্চে বসে সন্ধ্যারতি দর্শনে মুগ্ধ দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কি এখনও কাটেনি? শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কেমন থাকবে কলকাতা ও উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া? অর্ণবের জেরে বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা! কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা?? অবাক কান্ড, নারকেল চুরি করতে এসে সারাদিন গাছেই কাটাল চোর বাড়ির জানালা খুললেই ‘ঘুমন্ত বুদ্ধ’-এর দর্শন! কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ জলপাইগুড়িবাসী ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে কি আরও দুর্যোগের মুখে দক্ষিণবঙ্গ?

দীর্ঘদিনের অবহেলায় হুড়মুড়িয়ে ভাঙল রাস্তা, দেও নদীর গর্ভে কুমারঘাটের যোগাযোগ ব্যবস্থা

Spread the love

প্রশাসনের কাছে বারবার জানানো আবেদন যখন বধিরের কানে পৌঁছায় না, তখন প্রকৃতিই হয়তো তার জবাব দেয় এভাবেই।

দীর্ঘদিনের অবহেলায় হুড়মুড়িয়ে ভাঙল রাস্তা, দেও নদীর গর্ভে কুমারঘাটের যোগাযোগ ব্যবস্থা

নিজস্ব সংবাদদাতা, যশপাল সিং, ত্রিপুরা:

প্রশাসনের কাছে বারবার জানানো আবেদন যখন বধিরের কানে পৌঁছায় না, তখন প্রকৃতিই হয়তো তার জবাব দেয় এভাবেই। বৃহস্পতিবার সকালে কুমারঘাটের পুরাতন শিবতলি রাস্তার একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে দেও নদীর গর্ভে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি যেন সেই অবহেলারই এক করুণ প্রতিচ্ছবি। এই আকস্মিক ধসে শুধুমাত্র একটি রাস্তাই ভাঙেনি, ভেঙে পড়েছে হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

বৃহস্পতিবারের সকালটা কুমারঘাটের মানুষের জন্য ছিল এক দুঃস্বপ্নের মতো। যে রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল, অফিস বা বাজারের পথে পা বাড়াতেন তাঁরা, সেই রাস্তারই এক বড় অংশ চোখের সামনে ধসে পড়তে দেখেন অনেকে। সৌভাগ্যবশত, কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও, এই ঘটনা এলাকার মানুষের মনে গভীর আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, “এই রাস্তাটি যে কোনোদিন ভাঙতে পারে, তা আমরা বারবার প্রশাসনকে জানিয়েছি। কিন্তু কেউ কান দেয়নি। আজ যখন সব শেষ হয়ে গেল, তখন তাঁদের ঘুম ভাঙল।” তাঁদের মতে, এই ঘটনা কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, বরং প্রশাসনিক উদাসীনতার এক অবশ্যম্ভাবী পরিণতি।

ঘটনার খবর পেয়েই কুমারঘাট থানার ওসি সঞ্জয় দাস এবং এসডিপিও উৎপলেন্দু দেবনাথ পুলিশ বাহিনী নিয়ে ছুটে আসেন। দুর্ঘটনা এড়াতে ভাঙা রাস্তার দুই প্রান্তে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয়দের প্রশ্ন, যে তৎপরতা আজ দেখা যাচ্ছে, তা যদি রাস্তাটি সারানোর ক্ষেত্রে দেখানো হতো, তাহলে হয়তো আজকের এই দুর্ভোগের শিকার হতে হতো না।

সম্পর্কিত খবর

একটি মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *