Friday, 30 October, 2026 | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
Crime Press Bengal
এই মুহূর্তে
বেনারসের দশাশ্বমেধ ঘাটে উপচে পড়া ভিড়! গঙ্গার বুকে লঞ্চে বসে সন্ধ্যারতি দর্শনে মুগ্ধ দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কি এখনও কাটেনি? শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, কেমন থাকবে কলকাতা ও উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া? অর্ণবের জেরে বাংলার আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা! কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা?? অবাক কান্ড, নারকেল চুরি করতে এসে সারাদিন গাছেই কাটাল চোর বাড়ির জানালা খুললেই ‘ঘুমন্ত বুদ্ধ’-এর দর্শন! কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ জলপাইগুড়িবাসী ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে কি আরও দুর্যোগের মুখে দক্ষিণবঙ্গ?

তারকেশ্বরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা – বাবা তারকনাথের পূজা, বৈঠক ও স্মৃতিচারণে আবেগঘন সফর

Spread the love

তারকেশ্বরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা – বাবা তারকনাথের পূজা, বৈঠক ও স্মৃতিচারণে আবেগঘন সফর

কৃশানু গাঙ্গুলী,তারকেশ্বর
শ্রাবণ মাসের পুণ্য তিথিতে তারকেশ্বর সফরে এসে বাবা তারকনাথের আশীর্বাদ নিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। রবিবার হেলিকপ্টারে তারকেশ্বরে পৌঁছেই তিনি সরাসরি যান বাবা তারকনাথের মন্দিরে। সেখানে সপরিবারে পূজার ডালি নিয়ে ভক্তিভরে মহাদেবের আরাধনা করেন।

পূজা-অর্চনা শেষে মুখ্যমন্ত্রী সরকারি গেস্ট হাউসে যান। সেখানে প্রশাসনিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে একটি বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে তিনি কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে তারকেশ্বরজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। তাঁকে একনজর দেখার জন্য সকাল থেকেই মন্দির চত্বর ও আশপাশের এলাকায় ভিড় জমান অসংখ্য মানুষ। সাধারণ মানুষের উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যেও সফর নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডা. মানিক সাহা জানান, তারকেশ্বর আন্তর্জাতিক মেলা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ধর্মীয় পর্যটন ও এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
সফরের এক আবেগঘন মুহূর্তে তিনি নিজের শৈশবের স্মৃতিও তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “খুব ছোটবেলায় আমি তারকেশ্বরে এসে দুধপুকুরে স্নান করে বাবা তারকনাথের পূজা দিয়েছিলাম। আজ আবার এখানে এসে পূজা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি।”
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর ধর্মীয় অনুভূতি, প্রশাসনিক কর্মসূচি এবং ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ—এই তিনের সমন্বয়ে তারকেশ্বরবাসীর কাছে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে রইল।

সম্পর্কিত খবর

একটি মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *