লাভপুরের চৌহাট্টায় হনুমান মন্দির সংলগ্ন রামসীতা মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য!
বীরভূমের লাভপুর থানার চৌহাট্টা এলাকায় হনুমান মন্দির সংলগ্ন একটি রামসীতা মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

লাভপুরের চৌহাট্টায় হনুমান মন্দির সংলগ্ন রামসীতা মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য!
অনুকূল গড়াই; লাভপুর:-
বীরভূমের লাভপুর থানার চৌহাট্টা এলাকায় হনুমান মন্দির সংলগ্ন একটি রামসীতা মন্দিরে ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা মন্দিরে ঢুকে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের শ্বেতপাথরের বিগ্রহ ভাঙচুর করার পাশাপাশি মন্দির চত্বরে রক্ত ছিটিয়ে দেয়। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌহাট্টা–সাঁইথিয়া সড়কের ধারে স্থানীয় মানুষের উদ্যোগে একটি হনুমান মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তার পাশেই রয়েছে ছোট্ট একটি রামসীতা মন্দির, যেখানে প্রায় এক ফুট উচ্চতার শ্বেতপাথরের রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের বিগ্রহ দীর্ঘদিন ধরে পূজিত হয়ে আসছে। অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে ওই মন্দিরে হামলা চালিয়ে বিগ্রহ ভাঙচুর করা হয় এবং মন্দিরের ভিতরে রক্ত ছিটিয়ে রেখে যায় দুষ্কৃতীরা।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন লাভপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) আব্দুল গাফফার এবং নানুর সার্কেলের সিআই মিঠুন বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন বোলপুর মহকুমার এসডিপিও অর্পিত আর. পারেখ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অভিষেক রায় এবং বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার বিদীত রাজ বন্দেশ। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত শুরু করে এবং নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেনসিক দলকে খবর দেওয়া হয়।
জেলা পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি তিনি জানান, এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।