Friday, 11 September, 2026 | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
Crime Press Bengal
এই মুহূর্তে
বাগনানে মাটির বাড়ি থেকে উদ্ধার বিরল সাদা কালাচ, চাঞ্চল্য বাঁটুল গ্রামে বৈধ ভোটারদের নাম অবিলম্বে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির দাবি টিভি নাইন বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ, ‘কলরবের বিশ্ববিদ্যালয়’ ৩০ অগাস্ট, ২০২৬, রবিবার, রাত ১০ টায় তারকেশ্বরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা – বাবা তারকনাথের পূজা, বৈঠক ও স্মৃতিচারণে আবেগঘন সফর পুণ্যার্থীদের উপর হামলার অভিযোগে ফের বিক্ষোভ লাভপুর থানায়! অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত; জাতীয় স্টক এক্সচেঞ্জের সাথে ত্রিপুরার ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর!

খবরের ধাক্কায় ভাঙল ঘুমের ঘোর

Spread the love

খবরের ধাক্কায় ভাঙল ঘুমের ঘোর, বিপর্যয়ের পর ‘তৎপর’ প্রশাসন, অবশেষে শুরু হল কুমারঘাটের ‘বিচ্ছিন্ন’ রাস্তার কাজ, দেও নদীর তীরে ফের জুড়ছে জীবনের পথ

নিজস্ব সংবাদদাতা, যশপাল সিং, ত্রিপুরা:

ভাঙা-গড়ার খেলায় ছিল শুধু প্রাশনের চরম উদাসীনতা! জনগণের সহজ-সরল প্রশ্ন, যখন বিপর্যয় দরজায় কড়া নাড়ে, তখনই কি তবে টনক নড়ে প্রশাসনের? ত্রিপুরা রাজ্যের কুমারঘাটের পুরাতন শিবতলি রাস্তার ধস যেন সেই চিরন্তন প্রশ্নটিকেই আরও একবার উস্কে দিল। সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর এবং জনরোষের মুখে পড়ে অবশেষে শুরু হলো দেও নদীর গর্ভে তলিয়ে যাওয়া সেই রাস্তার মেরামতির কাজ। দেরিতে হলেও, এই পদক্ষেপে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন দুর্ভোগের শিকার হাজার হাজার মানুষ। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারের সকালটা ছিল কুমারঘাটের জন্য এক দুঃস্বপ্নের মতো। যে রাস্তাটি ছিল এলাকার মানুষের কাছে ‘লাইফলাইন’, তারই একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল নদীর গর্ভে। এই ধস শুধু কংক্রিটের ভাঙন ছিল না, ছিল প্রশাসনের প্রতি মানুষের জমে থাকা বিশ্বাসের ভাঙন। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, এই বিপর্যয় আকস্মিক হলেও, অপ্রত্যাশিত ছিল না। বারবার লিখিত ও মৌখিক আবেদন জানিয়েও তাঁরা প্রশাসনের ঘুম ভাঙাতে পারেননি। তাঁদের কথায়, “আমরা শুধু সময়ের অপেক্ষা করছিলাম, কবে ভাঙবে। আজ যখন ভাঙল, তখন প্রশাসন ছুটে এসেছে।”

এই ঘটনা ছিল প্রশাসনিক উদাসীনতার এক করুণ প্রতিচ্ছবি। তবে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রচারিত হতেই তড়িঘড়ি সক্রিয় হয় প্রশাসন। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় যন্ত্রপাতি, শুরু হয় রাস্তা পুনর্নির্মাণের কাজ। এই ‘তৎপরতা’কে স্বাগত জানালেও, স্থানীয়দের মনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এই ঘুম ভাঙার জন্য কি সবসময় একটি বিপর্যয়েরই প্রয়োজন? মানুষের জীবনের নিরাপত্তা এবং স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রশাসন কি আরও একটু সক্রিয় হতে পারে না? এই প্রশ্নগুলোই এখন কুমারঘাটের বাতাসে ভাসছে, আর তার সাথে মিশে আছে যত দ্রুত সম্ভব স্বাভাবিক জীবনে ফেরার এক মরিয়া অপেক্ষা।

সম্পর্কিত খবর

একটি মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *